ঢাকা ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২৬
লনবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি ॥
নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের ষাটকাহন গ্রামে পানি নিস্কাশনের নালা মাটি ভরাট করে ঘর নির্মাণ করায় গ্রামবাসীসহ স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তা এবং রোগীদের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রভাবশালীদের এহেন কর্মকান্ডে গ্রামবাসীর পক্ষে ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মন্নাফের চৌধুরী (অনু) এর ছেলে হারুন আহমেদ চৌধুরীসহ শতাধিক লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।
আবেদন সুত্রে জানাযায়, উপজেলার কুর্শি ষাটকাহন গ্রামের হুমায়ুন আহমেদ চৌধুরী, লুৎফুর রহমান দুলু, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হারুন আহমেদ চৌধুরীসহ গ্রামবাসীর পানি নিস্কাশনের একমাত্র রাস্তা সরকারী রাস্তার দক্ষিনে একটি নালা রয়েছে। উক্ত নালা দিয়ে দীর্ঘ যুগ ধরে পানি নিস্কাশন হয়ে আসছে। সম্প্রতি উক্ত গ্রামের প্রভাবশালী হুমায়ুন আহমেদ চৌধুরীগংরা জোর পুর্বক সরকারী জায়গায় অবস্থিত উক্ত নালা মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়। ফলে গ্রামের পানি নিস্কাশন বন্ধ হয়ে পড়ে। অতি বৃষ্টি হলেই চলাচলের রাস্তাসহ বাড়ির আঙ্গিনায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে সরকারী প্রাইমারী স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পানি ভেঙ্গে স্কুলে যেতে হয়। এছাড়া মসজিদের মুসল্লিরা এবং সরকারী কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা রোগীরা ও ক্লিনিকে কর্মরতরা পানি ভেঙ্গে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এত চরম দুভোর্গের সৃষ্টি হয়েছে। বাধাঁ দিলে প্রভাবশালীরা নানা হুমকী প্রদর্শন করে। এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও সংঘটিত হয়েছে। জনদুভোর্গ লাগবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গত ১২ মার্চ নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত আবেদন করেন গ্রামবাসী। এর আগে ১লা মার্চ ভুক্তভোগি হারুন আহমদ চৌধুরী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৪৭ ধারায় সিরাজুল ইসলাম সুমন গংদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভুমি) নবীগঞ্জকে নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা উল্লেখ্য করে জানান, সরকারী ৩৩৩ দাগে সরকারী ভুমির উপর দিয়ে পানি নিস্কাশনের নালাটি বন্ধ করে দেয়ায় বর্ষা মৌসুমে এবং অতি বৃষ্টির ফলে হারুন আহমেদ চৌধুরীসহ গ্রামের লোকজন জলাবদ্ধতার শিকারের আশংখ্যা রয়েছে। বিবাদী সিরাজুল ইসলাম গংরা পানি নিস্কাশনের রাস্তা খোলে দিবে না মর্মে তদন্ত কর্মকর্তাকে সাফ জানিয়ে দেয়ায় শান্তি ভঙ্গের আশংখ্যা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করেছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রামবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশক এম ইজাজুল হক ইজাজ
অফিসঃ উত্তর বালুচর সিলেট
ফোনঃ- ০১৭১২৮৭৩৭১৫
Design and developed by AshrafTech