বিএনপির নি-খোঁ-জ নেতা ইলিয়াস আলী এবং তার সহযোদ্ধা আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক সহ ৩৮ নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছে আদালত

প্রকাশিত: 12:18 PM, May 13, 2026

বিএনপির নি-খোঁ-জ নেতা ইলিয়াস আলী এবং তার সহযোদ্ধা আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক সহ ৩৮ নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছে আদালত

সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য,সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক,
যার উপস্থিতি আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটি প্রোগামকে করে তুলতো প্রাণবন্ত ,সিলেটের রাজনীতির অত্যন্ত পরিচিত মুখ এবং জনপ্রিয় নেতা জনাব আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক সহ ৩৮ নেতা কর্মী দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইনি লড়াই শেষে খালাস পান। ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এই মামলা(৭৮৮/১৬)দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী এবং আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক সহ সিলেটের ১ম সারির একাধিক নেতা কর্মীকে আসামি করে উক্ত মামলা দায়ের করা হয়। সিলেটের বিরোধী দলের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার জন্য তৎকালীন বিএনপির অগ্রভাগে যারা নেতৃত্ব দিতেন তাদের সবাইকে জড়িয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ পরিকল্পিতভাবে এই মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে এই মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এই মামলার আসামিদের খালাসের রায় ঘোষণা করেন।
আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক সহ সবাই খালাস পাওয়ার খবর শহরে ছড়িয়ে পড়লে তার অনুসারীরা আনন্দে উল্লাস করতে থাকেন।শহরের বিভিন্ন পাড়ায় তারা মিষ্টি বিতরন করেন।বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় তার অনুসারীরা খন্ড খন্ড আনন্দ মিছিল বের করে। তাদের মতে দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইনি লড়াই এর মধ্য দিয়ে সত্যের জয় আর মিথ্যার পরাজয় হয়েছে।তাদের মতে,এটি ছিল আওয়ামীলিগের একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।তারা তাদের নিজস্ব পেটুয়া বাহিনী দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপির নেতা কর্মীদের দমিয়ে রাখার জন্য এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। মামলা থেকে খালাস পাওয়ায় সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে,আমাদের বিরুদ্ধে এটি একটি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। শুধু বিরোধী দলের রাজনীতি করার কারণেই আমাদের এ মামলায় জড়ানো হয়। আদালতের রায়ে সেটি প্রমাণ হয়েছে।এ রায়ের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলো।এই রায়ে সত্যের বিরুদ্ধে মিথ্যার বড় পরাজয় হয়েছে।মানুষ বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ফিরে পেয়েছে।এজন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি এবং সরকার ও আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।পাশাপাশি তিনি আসামি পক্ষের সকল আইনজীবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ সহ আরো অনেক আইনজীবী।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ