ঢাকা [english_date] | [bangla_date] | [hijri_date]
প্রকাশিত: 5:34 PM, May 8, 2026
৭মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত “বেপরোয়া সিকৃবি ভিসি” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে। বহুল প্রচারিত দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত “বেপরোয়া সিকৃবি ভিসি” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে প্রকাশিত তথ্যসমূহ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি। সংবাদটিতে উপস্থাপিত বিভিন্ন বক্তব্য ও তথ্যের যথাযথ সত্যতা যাচাই না করেই তা প্রকাশ করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। জাতীয়তাবাদী চেতনার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা সিকৃবি পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। অতএব, বিভাজন নয়-ঐক্য, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নই হোক আজ সিকৃবি পরিবারের অঙ্গীকার। অর্জন ছিল তাঁর নেতৃত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন। অতীতের ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও তিনি বিএনপির আদর্শ ও চেতনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁকে ‘আওয়ামী সুবিধাভোগী’ হিসেবে যে ট্যাগ দেওয়া হয়েছে, তা শুধু মিথ্যাই নয় বরং ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
উল্লেখ্য, বিগত ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর ড. মোঃ ছিদ্দিকুল ইসলাম নিজেই ঐ সময় সিকৃবির বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের মাঝে প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব বণ্টন করেছিলেন। ছিদ্দিকুল ইসলামের দায়িত্বকালেই প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহীকে (জামায়াতপন্থি শিক্ষক) পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু ট্রেজারারের নিয়োগ দিয়েছিল তাই উনার সঙ্গে কাজ করতে হয়েছে। প্রফেসর ড. সুলতান আহমেদকে (জামায়াতপন্থি শিক্ষক) পরিচালক (খামার) এবং আওয়ামী লীগের গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহমেদকে (বর্তমানে হবিগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি) পোস্টগ্রাজুয়েট অনুষদের ডিন হিসেবে উনাকে দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন (সংযুক্তি-৩)। বরং প্র. ড. মোঃ ছিদ্দিকুল ইসলাম সাবেক আওয়ামী ভিক্টিম প্র. ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল এর প্রকল্পের উপ-পরিচালক এর দায়িত্ব পালন করেন যা প্রমাণ করে তিনি একজন আওয়ামী সুবিধা ভোগী শিক্ষক। এছাড়াও প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষকদেরকে ছাত্র-ছাত্রীদের হলে ও প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ সমূহে-যেমন সহকারী।
প্রভোস্ট, সহকারী প্রক্টর, অতিরিক্ত পরিচালক প্রভৃতি-তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সময়েই দায়িত্ব বণ্টন করেছিলেন। অতএব, প্রশাসনিক অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা শুধু অসত্যই নয়, বরং সুষ্পষ্টভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর। বাস্তবতা হলো, প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টনের এই ধারাবাহিকতা পূর্ববর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ, যা এই মুহূর্তে রাজনৈতিক অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে একটি মহল বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকসংখ্যা মোট ২২ জন এবং অধিকাংশেই জ্যেষ্ঠ এবং প্রফেসর পদমর্যাদার। ফলে নিম্নতর প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনের জন্য ঐ সময় জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া বাস্তবসম্মত ছিল না বিধায় তৎকালীন প্রশাসন তা বেছে নিয়েছিল। দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে বর্তমান প্রশাসনকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার ঘৃণা চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে আমরা মনে করি। এ ধরণের মিথ্যা অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের প্রশাসনিক জ্ঞানের সীমাবদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ করে।
সিকৃবি ক্যাম্পাসে সকল প্রকার (প্রকাশ্য ও গোপন) রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তৎকালীন প্রশাসক ড. মোঃ ছিদ্দিকুল ইসলাম-এর সিন্ডিকেট কর্তৃক নিষিদ্ধ থাকায় সিকৃবির নিয়ম অনুসরণ করেই অরাজনৈতিক কার্যক্রম হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় রাষ্ট্রীয় এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ড সুচারুরূপে পরিচালনা করা হয়ে আসছে। উপাচার্য মহোদয়ের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনসহ অন্যান্য প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিও পালন করা হচ্ছে (সংযুক্তি-৪)।
৫ আগস্ট-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর ড. মোঃ ছিদ্দিকুল ইসলাম গং তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর মুখ্য সমন্বয়ক গোলাম মর্তুজা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আজিজুল হক- এর সাথে পরবর্তীতে পূর্ণমেয়াদের জন্য স্থায়ী ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আশায় জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষকদের সাথে কোন আলোচনা না করেই ৪৭তম সিন্ডিকেটে সিকৃবিতে সকল ধরণের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন (সংযুক্তি-৫)। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যাতে কোন প্রকার মব সৃষ্টি করে এই ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল না হয় সেজন্য ৪৭তম সিন্ডিকেটের এই সিদ্ধান্তকেই এখন পর্যন্ত বহাল রাখা হয় সকলের সিদ্ধান্তে। কিন্তু ঐ গোষ্ঠী কেউই ভিসি হতে না পেরে ক্যাম্পাসকে প্রতিনিয়ত অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে পরবর্তীতে নানাবিধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অশুভ পাঁয়তারা করে দ্বিচারিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।
কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ছাত্র রাফিল আহমেদের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণরুপে আচরণগত ও ছাত্র-শৃঙ্খলারোধী কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে গৃহীত। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সাময়িকভাবে তার ফলাফল স্থগিত রেখে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে দরপত্র সংক্রান্ত যে অভিযোগ আনা হয়েছে—অর্থাৎ সর্বনিম্ন দরদাতার পরিবর্তে সর্বোচ্চ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান—তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। পিপিআর-২০০৮ অনুযায়ী কেবলমাত্র সর্বনিম্ন দরদাতা হলেই যথেষ্ট নয়; বরং অন্যান্য শর্তাবলি পূরণ (compliance) করাও বাধ্যতামূলক। HEAT প্রকল্পের এসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রশাসনকে অবহিত করেছেন যে, পিপিআর অনুযায়ী সকল নিয়ম মেনে ক্রয় কার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সিকৃবির কেন্দ্রীয় ক্রয় কমিটি HEAT প্রকল্পের ক্রয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।
সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হকের অপসারণ সংক্রান্ত যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। উক্ত সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রবল দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। তিনি জাপান থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করে দেশে ফেরার পর থেকে—এমনকি ‘সাদা দল’-এর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালেও—বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কখনো শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেননি। সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক আন্তর্জাতিক কোন উগ্র সংগঠনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন বলে ক্যাম্পাসে চাউর রয়েছে।
রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. মোঃ আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে অসততা, প্রশাসনিক অসহযোগিতা এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একইভাবে, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. মোঃ এমদাদুল হকের বিরুদ্ধেও অদক্ষতা, অস্বচ্ছতা এবং দায়িত্ব পালনে অনীহার অভিযোগ থাকায় তাঁকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয় (সংযুক্তি-৬)।
প্রফেসর ড. মো. মেহতাজুল ইসলাম সিকৃবি ক্যাম্পাসে হাইব্রিড বিএনপি নামেই পরিচিত শিক্ষক। তিনি তাঁর স্ত্রীকে জামায়াতের সঙ্গে আঁতাতের মাধ্যমে সিলেটের ইবনে সিনা সুবহানীঘাট শাখায় ডেন্টাল সার্জন হিসেবে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তিনি একাধিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকায় পোস্ট গ্রাজুয়েটের ডিন হিসেবে দুই মেয়াদে (অর্থাৎ মোট চার বছর ফ্যাসিষ্ট আমলে দায়িত্বে ছিলেন) বর্তমানে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী মো. জহিরুল হক অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্বে থাকায় তাঁকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় পরিকল্পিতভাবে বাধা প্রদানের অভিযোগে ফ্যাসিবাদী আমলে সুবিধাভোগী প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলামকে প্রকল্প পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রফেসর ড. মো: ইউসুফ মিয়া এবং প্রফেসর ড. শাহানা বেগম, নামধারী সাদাদলের সদস্য, অতীতে তাঁরা কোন প্রকার মাসিক চাঁদাও দেননি ও দলীয় কর্মকাণ্ডের সংগে গত ১৫ বছর জড়িত ছিল না।
সিকৃবিতে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে বাছাই বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যেখানে পিএসসি ও সিন্ডিকেটের সম্মানিত সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইউজিসি নির্দেশিকা, যা সিকৃবিতে নিয়মিতভাবে অনুসরণ করা হয়, তার আলোকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে অধিকতর যোগ্য প্রার্থীদেরই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যক্তিগত পরিচয় বিবেচনা না করে শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও মেধার ভিত্তিতেই তিনজন সহকারী অধ্যাপক ও পাঁচজন প্রভাষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে (সংযুক্তি-৭ ও ৮)। এছাড়াও, সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে জরুরি কার্যসম্পাদনের লক্ষ্যে নিয়ম অনুযায়ী দুইজন কর্মকর্তাকে ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে (সংযুক্তি-৮(খ))।
বিগত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘সাদা দল’ নামধারী কতিপয় শিক্ষক সাবেক সভাপতি ও সেক্রেটারি এবং বর্তমান ভিসি মহোদয় প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম-এর সাথে সাক্ষাতের নামে ভিসির সচিবালয়ে এসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। তারা সেখানে জটলা তৈরি করে এবং ভাইস চ্যান্সেলরসহ প্রক্টরের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়, যার ফলে ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়ও আহত হন। বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছে (সংযুক্তি-৯)।
তাদের এ ধরনের আচরণ কর্মচারী শৃঙ্খলার পরিপন্থী হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতএব, ‘সাদা দল’ নামধারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের অযথা হয়রানি করা হচ্ছে এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, অমূলক এবং তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্তবাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা মাত্র।
সম্পাদক ও প্রকাশক এম ইজাজুল হক ইজাজ
অফিসঃ উত্তর বালুচর সিলেট
ফোনঃ- ০১৭১২৮৭৩৭১৫
Design and developed by AshrafTech